arjun

arjun

Friday, 11 September 2015

নীলাব্জ চক্রবর্তী এবং সব্যসাচী সান্যাল যা জানিয়েছেন ‘সারং থেকে জৈতকল্যাণ যত দূরে’-র পাণ্ডুলিপি প’ড়ে—


ভেঙেচুরে যাওয়া গলে যাওয়া এই সময়টা পেরিয়ে আবার যদি কখনও পুনর্নির্মাণের প্রয়োজন হয়ে পড়ে সময়টাকেই, অনিবার্যভাবে ফিরে ফিরে এই বইটির খোঁজ পড়বে বারবার। এই সময়টাকে চিহ্নিত করার অমোঘ প্রয়োজনেই। ওষুধপর্ব-এর মধ্যে জিভ তোলপাড় করে পাওয়া উচ্চারণের ভাষা তখন আর ব্যক্তিগত থাকলো না, হয়ে গেল সর্বজনীন, চিরকালীন। এক একটা বই দিয়ে এভাবেই বোধহয় এক একটা সময় চিহ্নিত করে ইতিহাস। কবিতা-গদ্য-চিঠি-আঁকিবুঁকি-সিনেমা-সঙ্গীত-নাটক-চিত্রনাট্য-ডায়েরি-অসুখযাপন-সমাজ-বোধ-জীবন-স্বপ্ন-যৌনতা... একজন বিচিত্র স্কেলের শিল্পীর প্রায় সবটুকু ধরে রাখা থাকলো এইখানে দুই মলাটের ভেতর। মিশ্র লিপি (Mixed Text)-র এই মহোৎসবে, আপনাকে স্বাগত, হে পাঠক...
                                                                                      নীলাব্জ চক্রবর্তী

অর্জুন,

তোমার পান্ডুলিপি পড়ে উঠলাম। তবে সত্যি বলতে মনে হল এ-পড়া এই শুরু হল—আরো দু'দশ'বিশ বছর এই লেখাগুলোই বই হাতে পড়ব নির্ঘাত। বিশেষণে যাব না। তবে এটুকু বলতে পারি সমাজের তথাকথিত কবিতা-ধারণাকে ত্যাগ করে, নিজের মত করে নতুন এস্থেটিক্স নির্মাণ করাই আমার মতে সব কবির উদ্দেশ্য হওয়া উচিত—যা আদতে খুব খুব রেয়ার। সেই কাজটাই তুমি করে গেছ। 

তা'ছাড়া ওই যে একটা অ্যাডভেঞ্চার, যা নিজের ভেতর দিয়ে রুদ্ধশ্বাস উবড়ে খাবড়ে ক্রমাগত—এক যন্ত্রণা এক অস্থিরতা থেকে অন্য যন্ত্রণা ও অস্থিরতায় চলে যাওয়া, সে যন্ত্রণাকেই আরো ইনগ্রেডিয়েন্টের মধ্যে রেখে, তাকে নতুন কনটেক্সট দিয়ে শিল্প করে তোলা—  
এই সবই, এই সমস্ত কিছুই আমি নিজের কবিতায় দাবী করি—যা তোমার কবিতায় সার্থক। 

তুমি ভালো থেক আর না থেক তাতে সমস্যা নেই—তবে লিখতে থেক।
বই কখন বেরোবে জানিও। আমি সংগ্রহ করে নেব। আর প্রচুর পড়ব।


সব্যসাচী সান্যাল   

No comments:

Post a Comment